নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাজ্যে চাকরি ও ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার কথা বলে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকার বনানীর ‘ক্যানারি ভিসা কনসালটেন্সি’র বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাসলিমুল জান্নাত মালিহাকে আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে মামলার অপর আসামি ও তার স্বামী শুভা চৌধুরী ওরফে শহিদুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ২০ জন আবেদনকারীর কাছ থেকে যুক্তরাজ্যে চাকরি ও কর্মসংস্থানের কথা বলে মোট ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, তাদের ‘সিওএস’ (Certificate of Sponsorship) দেওয়ার কথা বলা হলেও পরবর্তীতে বিদেশে পাঠানো হয়নি এবং টাকা ফেরতও দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় নেক্সট কনসাল্টিং এজেন্সি লিমিটেডের অফিস ইনচার্জ মো. হাসমত আলী লিমন বাদী হয়ে গত ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৫০৬(II) ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
পরে আদালতের নির্দেশে শাহপরাণ (রহ.) থানা মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর আসামি তাসলিমুল জান্নাত মালিহা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, ভুক্তভোগীদের অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি পলাতক আসামি শুভা চৌধুরীকে আইনের আওতায় আনতে তাদের আইনি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ক্যানারি ভিসা কনসালটেন্সির সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।