সোহরাওয়ার্দী : নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ আহমেদ এবং উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রকিবুল আলম রাজীবের নেতৃত্বে ডেমরায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নিষ্কাশন খাল সংস্কারের উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। এই খালগুলোতে জমে থাকা মানবসৃষ্ট বর্জ্য অপসারণ করা হচ্ছে এবং ভূমিদস্যু ও রাজনৈতিক প্রভাবশালী দের গড়া অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
এলাকাটি দক্ষিণ সিটির ৬৪-৬৫,৬৬ নং ওয়ার্ডসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, যেখানে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে থাকত। বিশেষ করে যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, কদমতলী থানার আশেপাশের প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলে জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য সমস্যা।
দীর্ঘদিন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে আদায় করা হয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য, কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যার ফলে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধ এবং রোগের প্রকোপ বাড়ছিলো। বিশেষ করে এডিস মশার লার্ভা ও কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয় রোগের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
এই সমস্যা সমাধানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পদক্ষেপকে এলাকাবাসী ও স্থানীয় নেতারা ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
ডঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লা (সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ): জলাবদ্ধতা নিরসনে এই নিষ্কাশন খালের সংস্কার কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ব্রিগেডিয়ার মোঃ এমদাদুল হক (মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃ-স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট নির্বাহী পরিচালক): পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
আফিজ উদ্দিন (মাতুয়াইল আইসিএমএইচ নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান সমন্বয়কারী): দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে এ উদ্যোগ এলাকার দূর্ভোগ লাঘব করবে বলে মন্তব্য করেন।
৩১ জুলাই The New Nation পত্রিকায় সাংবাদিক নাজমুল হাসানের প্রতিবেদন প্রকাশের পর পানি উন্নয়ন বোর্ড বিষয়টি গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।