মোঃ রাসেল কবির:
১৫ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধোলাইপাড় গোল্ডেন সান চাইনিজ রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে ঢাকা ৪ আসনের বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর সাথে এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক ঢাকা-৪ আসনের মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।
মতবিনিময় সভায় শ্যামপুর ও কদমতলী থানা জামায়াতের আমিরসহ উক্ত সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জুরাইন প্রেসক্লাব, শ্যামপুর থানা প্রেসক্লাব, ঢাকা সিটি প্রেসক্লাব এবং ঢাকা সাউথ প্রেসক্লাবের সিনিয়র ও নবীন সাংবাদিকরা মতবিনিময় সভায় প্রাণবন্ত আলোচনা করেন। সভার শুরুতেই সৈয়দ জয়নুল আবেদীন নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে দলীয় সাংগঠনিক ইশতেহার ও ব্যক্তিগত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “ঢাকা-৪ আসনকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে হলে জনগণের সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে এবং সমাধানে সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আমি আমার সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে এ এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত।”
তিনি এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা ও বেকারত্ব কমানোর জন্য সুস্পষ্ট পরিকল্পনার কথা জানান। পাশাপাশি তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে জনগণের পরামর্শ ও অংশগ্রহণকে প্রাধান্য দিয়ে সকল উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করবেন।
প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক ও চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন করেন, যার প্রত্যেকটির উত্তর তিনি শান্ত, সাবলীল ও তথ্যভিত্তিকভাবে দেন। তার উত্তর দেওয়ার ধরণে উপস্থিত সবাই তার রাজনৈতিক পরিপক্বতা, ভদ্রতা ও জনমুখী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পান।
সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আজ শুধু প্রাথমিকভাবে মতবিনিময় হলো। ভবিষ্যতে আমরা আরও বড় আকারে একটি সভা করব, যেখানে সকল সাংবাদিককে নিয়ে ঢাকা-৪ আসনের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশদ আলোচনা হবে। উন্নয়ন কৌশল প্রণয়নেও আপনারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।”
সমাজকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে জনসেবায় নিয়োজিত সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের আন্তরিকতা, সততা ও উন্নয়ন ভাবনা উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে গভীরভাবে প্রশংসিত হয়। রাজনৈতিক মহলে অনেকেই মনে করেন, তার মতো সৎ ও কর্মঠ নেতৃত্ব পেলে ঢাকা-৪ আসনের চেহারা পাল্টে যেতে সময় লাগবে না।