নিজস্ব প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে চলেছেন তিনি।
কুতুবপুর ইউনিয়নের মানুষের কাছে একজন জনপ্রতিনিধির মূল পরিচয় দলীয় পরিচয়ের চেয়েও বড় তিনি জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। আর সেই জায়গা থেকেই আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টুর কাছে জনসেবাই প্রধান অঙ্গীকার। দল, মত কিংবা রাজনৈতিক অবস্থানের ভিন্নতা যেন নাগরিক সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা না হয় এমন একটি মানবিক ও জনবান্ধব পরিবেশই একজন প্রকৃত জনপ্রতিনিধির প্রত্যাশা।
আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে একজন জনপ্রতিনিধির মূল্যায়ন শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়; বরং জনগণের জন্য তিনি কতটা কাজ করছেন, কতটা ন্যায়সংগতভাবে সেবা দিচ্ছেন এবং সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
রাজনৈতিক বাস্তবতা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বও নতুনভাবে সামনে এসেছে। অতীতে রাজনৈতিক চাপ, মেরুকরণ ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক জনপ্রতিনিধির পক্ষেই প্রত্যাশিতভাবে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সময়ে সেই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করাই হতে পারে একজন মানবিক জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় সাফল্য।
কুতুবপুরের মতো জনবহুল একটি ইউনিয়নে নাগরিকদের প্রত্যাশাও অনেক। রাস্তা-ঘাট, পানি নিষ্কাশন, পরিচ্ছন্নতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, সরকারি সহায়তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নানা ক্ষেত্রে মানুষের প্রয়োজন রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়সংগত বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে জনপ্রতিনিধির প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। সেই লক্ষ্যে সেন্টু চেয়ারম্যান কাজ করে আসছেন।
একজন মানবিক চেয়ারম্যানের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তিনি মানুষের কথা শুনবেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করবেন। ক্ষমতা কিংবা পদ নয়, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত অর্জন।
আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টুর ক্ষেত্রেও কুতুবপুরবাসীর প্রত্যাশা রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি যেন ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি এগিয়ে গেলে কুতুবপুরবাসীর আস্থা আরও গভীর হবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
জনগণের সেবা, এলাকার উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই একজন জনপ্রতিনিধি তাঁর প্রকৃত সফলতার পরিচয় দিতে পারেন। তবে মনিরুল আলম সেন্টু চেয়ারম্যান বেশ কয়েক বার ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছেন।
তবুও তিনি জনগণের সেবা কল্যাণে মানবতার পক্ষে কাজ করে ফতুল্লা কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ ও ফতুল্লায় জনস্বার্থে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে আসছেন।