নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও জনমুখী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনে প্রতিমন্ত্রীকে দেখা যাচ্ছে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় ছুটে বেড়াতে। বগুড়া, সিলেট, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করছেন তিনি। যেখানে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক, সেখানে সংশ্লিষ্টদের উৎসাহ দিচ্ছেন; আবার কোথাও অনিয়ম বা স্থবিরতা দেখা গেলে নিচ্ছেন কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ। তাঁর এই সক্রিয়তা ও দৃঢ় অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
নিজের নির্বাচনী এলাকা বগুড়া ও শিবগঞ্জের মানুষের প্রতিও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন মীর শাহে আলম। এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সমস্যা সমাধান এবং চলমান প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা ইতোমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় জনগণের মতে, দীর্ঘদিন পর তারা একজন এমন জনপ্রতিনিধি পেয়েছেন, যিনি কাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।
জাতীয় সংসদেও তাঁর বক্তব্য ও কার্যকর অংশগ্রহণ নজর কেড়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নেও নেপথ্যে কাজ করছেন তিনি বলে জানা গেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ড্রেস, জুট ব্যাগ ও জুতা বিনামূল্যে প্রদানের যে সরকারি পরিকল্পনা রয়েছে, সেই উদ্যোগেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অল্প সময়ের মধ্যে একজন প্রতিমন্ত্রীর এভাবে জনমনে জায়গা করে নেওয়া বিরল ঘটনা। মাঠপর্যায়ে সরব উপস্থিতি, প্রশাসনিক দৃঢ়তা এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে।
সম্প্রতি তাঁকে ঘিরে নানা আলোচনা ও সমালোচনা সামনে এলেও তাঁর সমর্থকদের দাবি, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সাফল্য এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জনের কারণেই একটি মহল তাঁকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তাদের মতে, দায়িত্বশীল ও কর্মঠ নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন সময়ের দাবি।
মীর শাহে আলমকে যারা কাছ থেকে চেনেন, তারা বলেন—তিনি একজন পরিশ্রমী, মেধাবী ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব। ব্যক্তিগত প্রচারের চেয়ে কাজের মাধ্যমেই নিজেকে তুলে ধরতে বিশ্বাস করেন তিনি।
সব মিলিয়ে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গতি আনা, জনগণের পাশে দাঁড়ানো এবং উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আজ অনেকের কাছে সম্ভাবনাময় নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তাঁর চলমান কর্মতৎপরতা ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়নযাত্রায় আরও বড় ভূমিকা রাখবে বলেই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।