মোঃ-বাদল:::
বাংলাদেশ এক্সটেনশন এডুকেশন সার্ভিসেস (বিজ) এনজিওর নারিন্দা শাখার পোস্তগোলা কেন্দ্র প্রধান মিলনি শতাধিক সদস্যদের দিয়ে ঋণ উত্তোলনের মধ্য থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীরা প্রতারক মিলনিকে আটক করে স্থানীয় শ্যামপুর থানায় হস্তান্তর করেন। ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায় শ্যামপুর থানাধীন পোস্তগোলা বাজার গলি হাফেজ নগর এলাকার ১৫১ নং বাসায় মৃত মোঃ কাইয়ুমের মেয়ে মিলনি গত প্রায় ৩/৪ বছর এনজিও বিজ এর নারিন্দা শাখার কেন্দ্র বসিয়ে এনজিওর নিয়মে কেন্দ্রে প্রধান দায়িত্ব নিয়ে সদস্য সংগ্রহ করা ঋণ উত্তোলনে সহযোগিতা করতেন। সে কেন্দ্র প্রধান হওয়াতে সব সদস্যরা মিলনির সাথে যোগাযোগ করে তাদের জীবনে বৃত্তান্তের কাগজ পত্র মিলনির কাছে জামা থাকত। যায় ফলে এই কেন্দ্র বিজ এনজিওর সদস্যরা ঋণ উত্তোলন করলেই মিলনি বিভিন্ন কৌশলে সদস্যদের থেকে হাওলাত বাবদ, সদস্যর ঋণ উত্তোলন কৃত টাকা নিয়ে যৌথ কিস্তি পরিশোধ শর্তে ও সদস্য দিয়ে ঋণ উত্তোলন করিয়ে নিজে কিস্তি পরিশোধ করার শর্তে কেন্দ্রের শতাধিক সদস্য থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ থেকে ৭০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারক মিলনি তার স্বপরিবার নিয়ে গত ইং ২৩/৫/০২৪ তাং দুপুর ৩টা৪০মিঃ শ্যামপুর থানাধীন বাজার গলির বাসাথেকে বেরিয়ে মিলনি তার পরিবার নিয়ে রুপসা ফ্যাক্টরি রাস্তায় যাওয়ার চিপা গলি দিয়ে মিলনি তার পরিবার নিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগী অনি মিলনিকে দেখে কোথায় যাচ্ছে জিজ্ঞেস করলে মিলনি স্বপরিবারে অনিকে মার-ধর করতে থাকে অনি আত্মরক্ষার্থে চিৎকার করে ভুক্তভোগীরা স্থানীয়দের সাথে নিয়ে সেখানে গিয়ে অনিকে রক্ষা করতে গেলে তখন মিলনি তার পরিবার নিয়ে সকলের সাথে মারমুখী আচরণ করে কৌশলে পালানোর চেষ্টা কালে বিষয়টি স্থানীয় থানার উর্দতন কর্মকর্তার মোবাইঃ আমাদের প্রতিনিধি ফোন দিয়ে জানালে তিনি দ্রুত পুলিশ পাঠালে সেখানে শ্যামপুর থানার বিচক্ষণ ও কর্তব্যপরায়ণ অফিসার ওসি তদন্ত শিহাব উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে সেখানের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং প্রতারক মিলনি সহ তার পরিবারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পরে এনজিও বিজএর নারিন্দা শাখা কর্মকর্তাদের থানায় এনে তাদের বলেন ঘটনার বিষয় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভুক্তভোগী সদস্যদের থেকে ঋণের টাকা আদায় করিতে নিষেধ করা হয়েছে।