নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা-৪ আসনের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি পূরণে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার প্রদান করেছেন। বর্তমানে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ঢাকা-৪ আসনের বাসিন্দাদের জন্য উন্নত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এলাকায় একটি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হলে সাধারণ মানুষ সহজে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে জরুরি চিকিৎসা, রোগ নির্ণয় এবং বিভিন্ন বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও এলাকার মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি, ঢাকা-৪ আসনের বিপুলসংখ্যক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এলাকায় একটি আধুনিক ও পর্যাপ্ত শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এলাকার স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
উদ্যোগসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে ঢাকা-৪ আসনের বাসিন্দাদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণের জন্য দূরবর্তী হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীলতা কমতে পারে।
এ বিষয়ে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগকে এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ কবে শুরু হবে, কোথায় এটি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং বাস্তবায়নে কত সময় লাগবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি দ্রুত অনুমোদন পাবে এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা-৪ আসনের মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবার সুযোগ তৈরি হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, জনগণের দোয়া, সহযোগিতা ও সার্বিক সমর্থন নিয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এলাকার স্বাস্থ্যসেবাসহ অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের পথও আরও সুগম হবে, ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা-৪ আসনের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার এ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনদাবি পূরণ হবে।