এসবি প্রধান গোলাম রসুল: পেশাদারিত্ব, সততা ও নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত

প্রকাশিত: 5:13 pm, February 7, 2026 | আপডেট: 5:13 pm,

এসবি প্রধান গোলাম রসুল: পেশাদারিত্ব, সততা ও নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন একজন অভিজ্ঞ, দক্ষ ও পরীক্ষিত পেশাদার কর্মকর্তা—মোহাম্মদ গোলাম রসুল। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি দেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমকে আধুনিক ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

 

সম্প্রতি তাকে ঘিরে প্রকাশিত কিছু সংবাদ ও আলোচনা সংশ্লিষ্ট ও অভিজ্ঞ মহলের মতে বাস্তবতাবিবর্জিত ও অসঙ্গতিপূর্ণ। তারা বলছেন, গোলাম রসুল একজন খাঁটি ক্যারিয়ার পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি বিভিন্ন সরকারের সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে—যা একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার মৌলিক বৈশিষ্ট্য।

 

কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা ও বিলম্বিত পদোন্নতির মুখোমুখি হলেও দায়িত্ব পালনে কখনো শৈথিল্য দেখাননি মোহাম্মদ গোলাম রসুল। সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাগত নীতিমালার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন।

 

কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

 

গোয়েন্দা কার্যক্রম, তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় তার দক্ষতা সহকর্মী মহলে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। এসবি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সংস্থাটিকে আরও পেশাদার, তথ্যনির্ভর এবং আইনানুগ কাঠামোর মধ্যে পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

 

সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গোলাম রসুল ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবসময় রাষ্ট্র, সংবিধান ও পেশাগত নীতিমালাকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। তরুণ কর্মকর্তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, প্রশিক্ষণ ও নৈতিকতা গড়ে তুলতে তার ভূমিকা অত্যন্ত সক্রিয় ও প্রশংসনীয়।

 

রাষ্ট্রের স্বার্থে সততা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে গত ২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে মোহাম্মদ গোলাম রসুলকে ছয় মাসের জন্য অতিরিক্ত আইজি (গ্রেড–২), স্পেশাল ব্রাঞ্চে পদোন্নতি প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি তার দীর্ঘদিনের ফলপ্রসূ ও নিষ্ঠাবান কর্মজীবনের স্বাভাবিক স্বীকৃতি।

 

পাঁচই আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা সুদৃঢ় করতে তার নেতৃত্ব ছিল কার্যকর ও প্রশংসনীয়। তিনি নিশ্চিত করেছেন—পুলিশ যেন দায়িত্ব পালন করে দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে।

 

এছাড়া, পুলিশের সংস্কার কমিশনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে তিনি নীতিগত সংস্কার প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে মুখ্য ভূমিকা রাখেন, যা পুলিশ বাহিনীকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সহায়ক হয়েছে।

 

মোহাম্মদ গোলাম রসুল বাংলাদেশ পুলিশকে একটি মানবিক, দক্ষ ও ন্যায়পরায়ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার সততা, পেশাদারিত্ব ও নেতৃত্ব দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।



একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *