জুরাইনে গত সাত দিন ধরে সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য; ট্রাফিক পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা

প্রকাশিত: 3:53 pm, March 24, 2026 | আপডেট: 3:53 pm,

জুরাইনে গত সাত দিন ধরে সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য; ট্রাফিক পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রাজধানীর জুরাইন থেকে আব্দুল্লাহপুরের কলেজগেট, নিমতলী রুটে সিএনজি ভাড়ায় চরম নৈরাজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ঈদের তিন দিন আগে থেকে শুরু করে ঈদের চার দিন পর পর্যন্ত যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে এই রুটে ৫০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়, সেখানে বর্তমানে ৮০ টাকার নিচে যাত্রী নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন অনেক সিএনজি চালক। এতে করে প্রতিনিয়ত যাত্রী ও চালকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটছে এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

 

জুরাইন থেকে কলেজগেটগামী যাত্রী মিরাজ বলেন, আগে ৫০ টাকায় যাওয়া যেত, এখন ৮০ টাকার কমে কেউ যেতে চায় না। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।

 

আরেকজন যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, ট্রাফিক পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই চালকরা এই বাড়তি ভাড়া আদায়ের আস্কারা পেয়েছে। কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তাই তারা ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়িয়ে নিচ্ছে।

 

একাধিক যাত্রীর অভিযোগ, অতিরিক্ত ভাড়া না দিলে অনেক চালক যাত্রী তুলতেই চান না, ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে।

 

অভিযোগের বিষয়ে এক সিএনজি চালক বলেন, আমরা খুব বেশি বাড়াইনি, সর্বোচ্চ ১০ টাকা বেশি নিচ্ছি। যাত্রীরা খুশি হয়েই দিচ্ছেন, জোর করে কিছু নেওয়া হচ্ছে না।

 

এ বিষয়ে ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ভুক্তভোগীকে সাংবাদিকদের মাধ্যমে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন, যা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

 

পরে জুরাইন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ফিরোজ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এখন যেহেতু অভিযোগ পেয়েছি, দ্রুত ব্যবস্থা নিতে লোক পাঠানো হচ্ছে।

 

তবে যাত্রীদের দাবি, শুধুমাত্র আশ্বাস নয়, কার্যকর অভিযান ও নিয়মিত নজরদারির মাধ্যমে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় ঈদের আনন্দের মধ্যেও ভোগান্তি থেকেই যাবে।



একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *