নারিন্দায় ডিলার জহিরুলের ওএমএসের পণ্য বাহিরে বিক্রির অভিযোগ: ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর নারিন্দা শাহ্ সাহেব বাড়ি এলাকায় খোলা বাজারে খাদ্যপণ্য বিক্রয় (ওএমএস) কার্যক্রমে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ওএমএস ডিলার জহিরুল ইসলাম এবং তার সহযোগী শামীমের বিরুদ্ধে।
সরকার নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে আটা ও চাল বিক্রির পরিবর্তে তারা চড়া দামে এসব পণ্য স্থানীয় অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টিতে সহযোগিতা করছেন তদারকি কর্মকর্তা–সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শকও।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ নভেম্বর ট্রাকসেলের মাধ্যমে দুই টন আটা ও ১,৫০০ কেজি চাল প্রায় ৩০০ নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও ডিলার জহিরুল ইসলাম তা সাধারণ মানুষের কাছে সামান্য পরিমাণ বিক্রি করে অবশিষ্ট পন্য গোপনে বেশি দামে স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের অভিযোগ দরিদ্র মানুষের জন্য আনা সরকারি পণ্য খোলা বাজারেই পাচার হয়ে যাচ্ছে; তদারকি কর্মকর্তারা থেকেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।
স্থানীয়দের দাবি, সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শককে ‘ম্যানেজ’ করেই দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন ডিলার জহিরুল ও তার সহযোগী শামীম। এর আগেও এ ধরনের অভিযোগের কারণে জহিরুল ইসলামকে ঢাকা রেশনিং অফিস থেকে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন বলেও জানা যায়।
ওএমএস-এর সরকারি পণ্য নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পৌঁছানোর কথা থাকলেও নিয়মবহির্ভূতভাবে তা বিক্রি করে প্রতি চালানে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই অসাধু চক্র। এতে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে এবং সরকারের জনকল্যাণ মূলক উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও ডিলার জহিরুল ইসলাম ফোন রিসিভ করেননি। তার সহযোগী শামীমের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

