বৈলর বাঁশ কুড়িতে নিজ অর্থায়নে রাস্তাঘাট মেরামত করছেন আতাউর রহমান সোহেল খান

প্রকাশিত: 4:30 am, September 18, 2025 | আপডেট: 4:30 am,

{“remix_data”:[],”remix_entry_point”:”challenges”,”source_tags”:[“local”],”origin”:”unknown”,”total_draw_time”:0,”total_draw_actions”:0,”layers_used”:0,”brushes_used”:0,”photos_added”:0,”total_editor_actions”:{},”tools_used”:{“square_fit”:1},”is_sticker”:false,”edited_since_last_sticker_save”:true,”containsFTESticker”:false}
বৈলর বাঁশ কুড়িতে নিজ অর্থায়নে রাস্তাঘাট মেরামত করছেন আতাউর রহমান সোহেল খান

মোঃ আব্দুল কাদের, স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বাঁশকুড়ি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাঘাটের করুণ অবস্থা স্থানীয়দের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ভাঙাচোরা, কাদাযুক্ত ও চলাচলের অনুপযোগী এসব রাস্তা বর্ষা মৌসুমে আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে রোগী ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষদের জন্য এটি ছিল প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের বিষয়।

 

সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় থেকে সমস্যার কোনো সমাধান না হওয়ায় এগিয়ে আসেন এলাকার কৃতি সন্তান ও সমাজসেবক আতাউর রহমান সোহেল খান। নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে তিনি বাঁশকুড়ি গ্রামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সংস্কার ও মেরামতের কাজ শুরু করেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি অংশে কাজ শেষ হওয়ায় স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হয়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রামে আগে চলাচল করা ছিল খুবই দুরূহ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা ও ভাঙাচোরা রাস্তায় হেঁটে চলাও কঠিন হয়ে যেত। কোনো রোগীকে হাসপাতালে নিতে হলে বিপাকে পড়তে হতো। কিন্তু আতাউর রহমান সোহেল খানের উদ্যোগে রাস্তাগুলো নতুন করে সংস্কার শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

 

একজন প্রবীণ গ্রামবাসী বলেন “আমরা বহুবার রাস্তাঘাট সংস্কারের জন্য আবেদন করেছি, কিন্তু তেমন কোনো উদ্যোগ পাইনি। এখন সোহেল খান নিজ উদ্যোগে রাস্তা মেরামত করছেন দেখে আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ। তিনি আমাদের গ্রামের গর্ব।”

 

এ বিষয়ে আতাউর রহমান সোহেল খান বলেন—

“আমি ছোটবেলা থেকেই এ গ্রামে বড় হয়েছি। গ্রামবাসীর দুর্ভোগ দেখে বসে থাকতে পারিনি। সরকারি বরাদ্দ আসুক বা না আসুক, মানুষের কষ্ট লাঘব করাই আমার লক্ষ্য। তাই নিজের সাধ্যমতো এ কাজ শুরু করেছি। মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

 

গ্রামের তরুণরা এ উদ্যোগকে “মানবিক ও সময়োপযোগী” বলে আখ্যায়িত করেছেন। তারা মনে করছেন, এমন সমাজসেবক ব্যক্তিত্ব যদি এগিয়ে আসেন, তবে গ্রামাঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জনগণ স্বস্তি পাবে।

 

এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও আতাউর রহমান সোহেল খান এভাবেই জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকবেন এবং জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে আরও বড় ভূমিকা রাখবেন।



একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *