লৌহজংয়ের বেজগাঁওয়ে মাদক রাজ্যের অপ্রকাশ্যে সম্রাট সুমন ও মুন্না! 

প্রকাশিত: 7:03 am, April 5, 2025 | আপডেট: 7:03 am,

লৌহজংয়ের বেজগাঁওয়ে মাদক রাজ্যের অপ্রকাশ্যে সম্রাট সুমন ও মুন্না! 

মোঃ-বাদল: মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাদক রাজ্যের সম্রাট সুমন ও মুন্নার ছবি-ভিডিও এখন সবার হাতে হাতে পৌছে গেছে। কিন্তু পুলিশ বলছে আমাদের কাছে এমন তথ্য নেই।

 

জানাগেছে, উপজেলার বেজগাঁও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পঞ্চার-বাড়ী নামক এলাকার মোঃ বাদল শেখের ছেলে মোঃ সুমন শেখ ও একই এলাকার সাবিদ হাসান মুন্না নামক দুজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বেজগাঁও ইউনিয়নে মাদক বিক্রি করে যুবসমাজকে ধ্বংশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

 

অনুসন্ধানে জানাগেছে, লৌহজংয়ের গোয়ালিমান্দ্রা এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানে গোয়ালিমান্দ্রার মাদকের রাজ্যে ধ্বংশ করে দেওয়ায় এখন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আনাচে-কানাচে মাদকের ছড়াছড়ি আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে অপ্রকাশ্যে মাদকের সম্রাজ্যে চালাচ্ছে সুমন শেখ ও সাবিদ হাসান মুন্না।

 

সম্প্রতি সময়ে আমাদের প্রতিনিধি ও দৈনিক বাংলাদেশের খবর এর হাতে সুমন শেখ এর মাদক গ্রহণের একটি ছবি ও সাবিদ হাসান মুন্নার মাদক সেবনের ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও আসে। ছবিতে দেখাযায়, সুমন শেখ সম্ভবত পিয়াজু খাচ্ছেন এবং কার সামনে তরতাজা গাঁজা পাতা রয়েছে। এবং ২২ সেকেন্ডের ভিডিওতে সাবিদ হাসান মুন্নার হেরোইন সেবনের দৃশ্যে দেখা যায়। তবে ভিডিওটি স্থানীয়দের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এটি সাবিদ হাসান মুন্নার মাদক গ্রহনের ভিডিও।

 

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাগেছে, অত্র লৌহজংয়ে বর্তমান সময়ে মাদক সম্রাজ্যের অপ্রকাশ্যে রাজা সুমন শেখ ও সাবিদ হাসান মুন্না পুলিশের নাকের ডগায় বসে মাদকের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু পুলিশ তাদের ধরতে পারছে না। সুমন ও মুন্নার মাদক বিক্রির কথা কেউ ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না। মুখ খুললেই দিনেদুপুরে বাড়িতে হামলা ও মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। সূত্রে জানা যায় এলাকার সোর্স আল আমিন এবং একজন এ এস আইয়ের সাথে সুসম্পর্ক থাকার সুবাদে তাদের এসকল কর্মকান্ডে কেউ ভয়ে বাধা দেয়না।

 

মাদক কান্ডের বিষয় অশ্বিকার করে সুমন শেখ বলেন, আমি ঢাকাতে কাজ করি। আমার বিরুদ্ধে যদি এরকম কোনো অভিযোগ উঠে থাকে সেটা আমি জানি না। তবে এতটুকু বলবো তথ্য যে বা যাহারাই দিয়েছে সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মাদক নিয়ে বসে থাকার ছবির বিষয় জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, কে বা কাহারা আমাকে মিথ্যা ভাবে ফাঁসাতে চাইছে জানি না।

 

এবিষয়ে জানতে সাবিদ হাসান মুন্নার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

 

এবিষয়ে লৌহজং থানা অফিসার ইনচার্জ হারুন-অর-রশিদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমরা সর্বদা সোচ্চার আছি। আপনার কাছে যদি কোনো অথেন্টিক তথ্য থাকে আমাকে পাঠান, আমি যাচাই করে ব্যবস্থা নিব।



একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *