শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছে জাতি

প্রকাশিত: 9:38 am, December 14, 2025 | আপডেট: 9:38 am,

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় সর্বপ্রথম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান। সকাল সোয়া ৭টার কিছু পরে শ্রদ্ধা জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা এবং সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে একে একে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ একটি নতুন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, পেশাজীবী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্র দুই দিন আগে, ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঘাতকচক্র পরিকল্পিতভাবে দেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। সান্ধ্য আইন জারির সুযোগ নিয়ে ওই রাতে ঢাকা শহরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিসেবীসহ বিভিন্ন পেশার প্রায় দেড় শতাধিক কৃতী মানুষকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত স্থানে। পরে নির্মমভাবে হত্যা করে তাঁদের মরদেহ ফেলে রাখা হয় মিরপুরের ডোবা-নালা ও রায়েরবাজার ইটখোলাসহ বিভিন্ন স্থানে। পরদিন সকালে এসব স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় শহীদদের নিথর দেহ। কারও শরীর ছিল বুলেটবিদ্ধ, কারও শরীর অমানুষিক নির্যাতনে ক্ষতবিক্ষত। অনেককে হাত পেছনে বেঁধে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়। প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর গভীর শোক ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়। এদিন দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং কালো পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শোক প্রকাশ করা হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছে জাতি

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় সর্বপ্রথম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান।

সকাল সোয়া ৭টার কিছু পরে শ্রদ্ধা জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা এবং সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে একে একে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ একটি নতুন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে।

এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, পেশাজীবী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্র দুই দিন আগে, ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঘাতকচক্র পরিকল্পিতভাবে দেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। সান্ধ্য আইন জারির সুযোগ নিয়ে ওই রাতে ঢাকা শহরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিসেবীসহ বিভিন্ন পেশার প্রায় দেড় শতাধিক কৃতী মানুষকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত স্থানে। পরে নির্মমভাবে হত্যা করে তাঁদের মরদেহ ফেলে রাখা হয় মিরপুরের ডোবা-নালা ও রায়েরবাজার ইটখোলাসহ বিভিন্ন স্থানে।

পরদিন সকালে এসব স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় শহীদদের নিথর দেহ। কারও শরীর ছিল বুলেটবিদ্ধ, কারও শরীর অমানুষিক নির্যাতনে ক্ষতবিক্ষত। অনেককে হাত পেছনে বেঁধে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়।

প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর গভীর শোক ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়। এদিন দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং কালো পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শোক প্রকাশ করা হয়।



একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *