সংসদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে মনোনীত মির্জা আব্বাস, রাজনৈতিক মহলে প্রশংসার জোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে আবারও আলোচনায় এলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক মির্জা আব্বাস। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংসদ অধিবেশন পরিচালনার জন্য গঠিত ৫ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলীর (প্যানেল স্পিকার) সদস্য হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে মনোনীত এই সদস্যরা ক্রমানুসারে সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন।
সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে মনোনীত হওয়া মির্জা আব্বাস দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। ঢাকা-৮ আসনের এই অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নেতৃত্বগুণ এবং সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকার জন্য তিনি সহকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে প্রশংসিত। সংসদ পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা তার প্রতি সংসদের আস্থা ও সম্মানেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক মহলের মতে, মির্জা আব্বাসের মতো অভিজ্ঞ ও বিচক্ষণ নেতার উপস্থিতি সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সংসদীয় রীতিনীতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান সংসদ পরিচালনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তারা।
উল্লেখ্য, সংসদের কার্যপ্রণালি অনুযায়ী প্রতিটি অধিবেশনের শুরুতেই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মনোনয়ন দেওয়া হয়। এই প্যানেল স্পিকাররা প্রয়োজনে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করে সংসদের কার্যক্রম সচল রাখেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনের কার্যসূচিতে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ও শপথ গ্রহণের পর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনয়নের মাধ্যমে অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়।
রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় মির্জা আব্বাসের এই নতুন দায়িত্ব দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।