সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতা সাদা কাফনে মোড়ানো

প্রকাশিত: 4:15 am, August 18, 2025 | আপডেট: 4:15 am,

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতা সাদা কাফনে মোড়ানো

 

আওরঙ্গজেব কামাল: বর্তমানে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতা সাদা কাফনে মোড়ানো রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে জীবন হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন এবং তাদের কাজ যেন একটি সাদা কাফনে ঢাকা পড়েছে, যা তাদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার অভাবকে নির্দেশ করে। সম্প্রতি, সাংবাদিকদের উপর সহিংসতা, হুমকি এবং হয়রানির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এখন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হয়তো কিছুটা আলোর মুখ দেখলেও বর্তমানে সাংবাদিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মাঠের সাংবাদিকদের জীবন হুমকিতে রয়েছে বলে মনে করেছেন সুশিল সমাজ। তারা বলছেন,গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খাতায়-কলমে সুরক্ষিত হলেও বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। নিয়ে সাম্পতিক সময়ে নানা মহলে আলোচনা হচ্ছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকতা হুমকির মুখে পড়েছে। গত ১৬ বছরে রাজধানীসহ সারা দেশে ১৭ জন সাংবাদিক খুন হয়েছেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত একটি হত্যাকাণ্ডেরও সুষ্ঠু বিচার হয়নি। রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গণমাধ্যমকে এখনো যারা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে, ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। দুই হাজার লাশের উপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় আছে অন্তর্বর্তী সরকার। এখনও হত্যা, নির্যাতন বন্ধ হয়নি। সম্পতি সাংবাদিকদের সাথে কিছু ঘটনা নিয়ে দেশ ও দেশের বাইরে আলোচনা ও সমলোচনা অব্যহত রয়েছে। দেশে এমন সাংবাদিকও আছেন, যারা নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে সত্য উদঘাটনে অটল থেকেছেন। উদাহরণস্বরূপ গাজীপুরে চাঁদাবাজির ভিডিও প্রকাশ করায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা,গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে অন্তত ১৯৬ জন সাংবাদিক বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে হত্যার হুমকি পেয়েছেন ৮ জন। এই সময়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে মামলার আসামি হয়েছেন ৪৪ জন সাংবাদিক। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান ছয় সাংবাদিক। এছাড়া ২০১৮ সালের শিক্ষার্থী আন্দোলনের সময় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সত্য বলায় আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের গ্রেপ্তার ও নির্যাতন, ফরিদপুরে দুর্নীতি প্রকাশের জন্য সাংবাদিক গৌতম দাসকে অফিসেই গলা কেটে হত্যা, চট্টগ্রামে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলায় সাংবাদিক মোজাফফর হোসেনের নৃশংস হত্যা। ১৯৭১ সালের ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৪ জন সাংবাদিক শহীদ হয়েছিলেন। আর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৬ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়। ফ্যাসিস্ট হাসিনার গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে ৩০ জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন, দেড় হাজার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ও নির্যাতন চালানো হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রংপুরের তাহির জামান প্রিয়-সহ নিহত ৬ সাংবাদিকের সকলেই পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার এখন পর্যন্ত সাংবাদিক হত্যার বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। এমনকি সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পর্যন্ত দিতে পারেনি। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ এ পর্যন্ত ১১৯ বার পেছানো হয়েছে।এ ধরনের অসংখ্য ঘটনার বিচার হয় না, আর হলেও হয় ধীরগতিতে প্রভাবশালীদের চাপেই অধিকাংশ বিলীন হয়ে যায়। দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা না থাকার মূল কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সরকার বা রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ হস্তক্ষেপ। অনেক মিডিয়া হাউজ পক্ষপাতদুষ্টভাবে খবর প্রচার করে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বড় বাধা। এর সঙ্গে যুক্ত হয় আর্থিক চাপ অর্থলোভে পড়ে অনেক সাংবাদিক হলুদ সাংবাদিকতায় জড়িয়ে পড়েন। আরেকটি বড় সমস্যা সাংবাদিকদের সুরক্ষার অভাব হুমকি ও সহিংসতা তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগকে খর্ব করে। বর্তমানে অনেক সংবাদ পত্র অর্থ অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অধিকাংশ পত্রিকাগুলি বিজ্ঞাপন নির্ভর হওয়ায় এমটি ঘটেছে বলে মনে করছেন অনেকে। এছাড়া প্রকৃত সাংবাদিকরা এ পেশা ছেড়ে অনন্য পেশায় ঢুকছে আবার নিজেকে বাঁচাতে অপরাধীরা এই পেশায় ঢুকে পেশাকে বিতর্কের মধ্যে ফেলছে। একদিকে সাংবাদিক সংগঠনগুলি নিজেদের বড়ত্ব প্রমান করতে মরিয়া অপরদিকে সাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে আত্নদন্দের কারনে নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি করছে। সব দিক বিবেচনায় গণমাধ্যম কর্মী বা সাংবাদিকতা হুমকির মধ্যে পড়েছে। আমরা জানি গণমাধ্যম বা সংবাদমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বা ভিত্তি বা অনেকে বলেন রাষ্ট্রের আয়না। আর সকল সাংবাদিক বা সাংবাদ কর্মী হলো এই ভিত্তি বা স্তম্ভের এক একটি ইট বা ক্ষুদ্র একক যাদের মাধ্যমে এই স্তম্ভ দাড়িয়ে আছে বা রাষ্ট্র তার চরিত্র ভালো ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে। আমি পরিক্ষা নিরিক্ষা করে দেখেছি একটি রাষ্ট্রের অন্যান্য তিনটি ভিত্তি বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সামঞ্জ্যতা বা যোগসূত্র বিধান করে সংবাদমাধ্যম আজ এক নম্বর ভূমিকা পালন করছে । একটি রাষ্ট্র ও সমাজে জনগন ও সরকারের কি দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং রাষ্ট্রের কোথায় কি হচ্ছে ইত্যাদি সবার সামনে তুলে ধরে গণমাধ্যম এক মহান দায়িত্ব পালন করে চলেছে। সে হিসেবে গণমাধ্যম বর্তমানে সমাজের গণআদালত, বিবেক ও মূল্যবোধের মানদন্ড সকলের উদ্ধে । কিন্তু সবদিক থেকে বিচার বিবেচনায় গণমাধ্যম কর্মীরা রয়েছেন একেবারে তলানিতে । সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য । গণমাধ্যম ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভাব না। গণমাধ্যম সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করে সব সময়। কিন্ত বর্তমান সরকারের উপদেষ্টারা বার বার গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের উপর দোষারোপ করছেন। আমি মনে করি যে টা একে বারে ঠিক না। হা মেনে নিচ্ছি হয়তো কিছু গণমাধ্যম ও সাংবাদিক রাজনৈতিক তোষামোদকারী হয়ে উঠেছিল। কিন্ত সেটা খতিয়ে দেখতে হবে তারা কোন পরিস্থিতিতে এমন টি করেছে। যদি তারা অপরাধী হয় তাহলে তাদের বিচার হওয়া উচিত। তবে আমি বলবো দেশের সেই গণমাধ্যম ও সাংবাদিকের সংখ্যা হাতে গোনা কয়েটি। আমি জানি গণমাধ্যম থেকে জনগণের একমাত্র প্রত্যাশা সত্য ও বিশ্বাসযোগ্য খবর ঠিক মত পাচ্ছেন না। কিন্তু যখন গণমাধ্যম ভয়ে সত্য গোপন করে বা অসত্য ও পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য প্রচার করে, তখন সাধারণ মানুষের আর যাওয়ার জায়গা থাকে না। কিন্ত এর মুল কারন সাংবাদিকরা সত্য তথ্য প্রচারে ভয় পাচ্ছেন। সরকার পতনের পর যখন নতুন সরকার এলো তাদের তো প্রধান কাজ হওয়ার কথা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা। গণঅভ্যুত্থানের পরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনাটা প্রধান কাজ। এক্ষেত্রে সরকার কি কারণে ব্যর্থ হচ্ছে বা শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না তা আমার কাছে বোধগম্য না। সরকার সবার আস্থা হারাচ্ছে, মানুষের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হচ্ছে। বিদেশে দুর্নাম হচ্ছে সরকার এসব ব্যাপারে উদাসীন। এবং এই উদাসীনতা মানেই প্রশ্রয় দেওয়া। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা বলছেন,সরকারে যে-ই থাকুক না কেন কখনোই সাংবাদিকেরা নিরাপদ না, সেটি বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। সাগর-রুনি থেকে শুরু করে কোনো সাংবাদিক হত্যার বিচারই আজ পর্যন্ত আমরা পাইনি। আমরা চাই সাংবাদিক হত্যার বিচার এবং সাংবাদিকদের নির্যাতন, নিপীড়নের ঘটনাগুলোর বিচারে সরকার আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন করুক। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সাংবাদিকদের জন্য সরকারের যে দায়, সরকার সেটা কখনোই পূরণ করেনি। অচত ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দল, সাংবাদিক ও সিভিল সোসাইটির সদস্য, সাধারণ পাঠক, এমনকি রাজনৈতিক দলের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কর্মী পর্যন্ত এই বিষয়ে একমত যে গণমাধ্যমের ও নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা অবশ্যই দরকার। কিন্ত গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীরা এসব থেকে বঞ্চিত। যে কারনে পুরো গণমাধ্যম বা সংবাদপত্র জগত্টাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা হচ্ছে। সংবাদপত্র জগতের এমনতর টানাপড়েনের সময়ের সুযোগ নিয়ে বাজারে যেমন এসেছে অনেক ভুঁইফোড় সংবাদপত্র, তেমনি এসেছে সাংবাদিক নামধারী একধরনের ধান্দাবাজ ব্যক্তি, যারা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সুস্থ গণমাধ্যমকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই ভুঁইফোড় সংবাদপত্র বা ধান্দাবাজ সাংবাদিক ব্ল্যাকমেইল থেকে শুরু করে চাঁদাবাজিসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই, যা করতে পারে না। এসব ধান্দাবাজ সাংবাদিক নামধারী দুর্বৃত্ত নিয়মিত এই আইনের অপব্যবহার করে এবং সাংবাদিকতা পেশার মতো একটি মহৎ পেশার অপবাদ ঘটায়। এ প্রবণতা প্রতিরোধ করতে পারে শুধু এই পেশায় যাঁরা পেশাদার সংবাদমাধ্যম বা কর্মী আছেন তাঁরাই। গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতাই হওয়া উচিত একটি ভালো মানের গণমাধ্যমের মানের মাপকাঠি এক জন ভালোমানের সাংবাদিক। সংবাদমাধ্যম শুধুমাত্র তথ্য সরবরাহ করে না। এটি যেমন জনমত তৈরি করে, তেমনি জনগণকে সংগঠিত করে, লড়াইয়ে উদ্বুদ্ধ করে।এছাড় নাগরিকের মত প্রকাশের সহযোগীতা করে। সমাজ পরিবর্তনে সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গণতান্ত্রিক সামজে যেখানে স্বাধীন সংবাদপত্র রয়েছে, সেখানে দুর্ভিক্ষে মানুষ মারা যায় কম। মূলত যেখানে গণতন্ত্র নেই এবং স্বাধীন সংবাদপত্র নেই, সেখানে অনাহারে মানুষের মৃত্যুর হার বেশি। গণমাধ্যম সমাজের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে বদল আনতে পারে। তবে তা হতে হবে অবশ্যই গঠনমূলক। সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকতে হবে মানব সেবা করা। পৃথিবীতে মানব সেবা করার যতগুলো পন্থা আছে তার মধ্যে লেখার সেবাই সবচেয়ে ঊর্ধ্বে। লেখনীর মাধ্যমে যেভাবে এদেশের সকল মানুষের উপকার করা যায় অন্যভাবে তা করা যায় না। কিন্তু বর্তমানে সাংবাদিকতার নামে অপ-সাংবাদিকতার চর্চাও কম হচ্ছে না । এজন্য গোটা সাংবাদিকতা বিতর্কীত। সাংবাদিকতার নামে কতিপয় গণমাধ্যমে কিছু ধান্ধাবাজ এই মাধ্যম টাকে কজ্বায় নিয়ে ছড়ি ঘোড়াচ্ছে। তদুপরি কেউ তোষামোদিতা করে কাউকে আকাশসম প্রশংসায় তুলে নেয়া এবং কাউকে ও দোষারোপের তলানিতে আটলান্টিকের তলদেশে নিয়ে যাওয়াটাও সাংবাদিকতার বৈশিষ্ট্য লঙ্ঘন ও অপ-সাংবাদিকতারই নামান্তর। অপ-সাংবাদিকতা, হলুদ সাংবাদিকতা, বেপরোয়া সাংবাদিকতা, দিকভ্রান্ত সাংবাদিকতা ও তোষামোদ মার্কা সাংবাদিকতার সংবাদ, সংবাদ প্রতিবেদন, ফিচার, কলাম যখন কোনও কাগজে বের হয় এবং এ নিয়ে যখন সমালোচনা ও প্রতিবাদের কণ্ঠ উচ্চারিত হয়, তখন একজন নগণ্য সাংবাদিক ও কলাম লেখকের দুঃখ-কষ্টের শেষ থাকে না। মূল কথা ও সাংবাদিকতার থিম হচ্ছে ভয়ভীতি, রাগ উপেক্ষা করে সত্যের অনুসন্ধান, প্রতিফলন ও বেহুঁশকে জাগ্রতকরণ। এ জায়গায় সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্যে মিশ্রিত করারও কোনও সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে অবশ্যই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যাবশ্যক।সাংবাদিকতা একটি সুমহান পেশা, শিক্ষিত সমাজের একটি পেশা, দায়িত্বশীল শ্রেণীর একটি পেশা। এ পেশার মানমর্যাদা সমুন্নত রাখার দায়িত্ব অবশ্যই প্রকৃত সাংবাদিকদের। সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার “সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫” খসড়া চূড়ান্ত করেছে, যেখানে সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানির শাস্তি নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে। তবুও কেন এমন হচ্ছে এ প্রশ্ন সরকারের কাছে সকল সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে। আমরা এ থেকে পরিত্রাণ পাবো কবে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। সরকারের পদক্ষেপের পাশাপাশি, সাংবাদিক সংগঠন এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।



একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *