সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধে শিক্ষক পরিবারের ৪ জনকে পিটিয়ে জখম

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি : মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শিক্ষক পরিবারের ৪ জনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। জরুরি সেবার ফোন পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে শুক্রবার রাতে সিরাজদিখান থানায় শিক্ষক মোঃ সবুজ শেখ বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
থানায় অভিযোগ থেকে ও শিক্ষক সবুজ শেখের সাথে যোগাযোগ করলে জানা গেছে, সিরাজদিখান উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের উত্তর ফুরসাইল গ্রামের শিক্ষক সবুজ শেখের সঙ্গে ১২ শতাংশ জমি নিয়ে মোঃ করিম উদ্দিন,হাফিজউদ্দিন,মোঃ জামাল উদ্দিন মিয়া, মোঃ গিয়াস উদ্দিনের পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি এলাকায় বেশ কয়েকবার বিচার সালিশ হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বাদীর বড় বোন সাথী আক্তার,তানিয়া আক্তার দুপুরে তাদের জায়গায় তোলা রান্না ঘড়ে রান্না করতে বসলে বিবাদী গন যেয়ে ওই সময় জোড় করে রান্নাঘড় ভাংচুর শুরু করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে । রান্নাঘড় ভাংচুর করতে বাধা দিলে বিবাদী পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয় পরে বেলা ৩টার দিকে রহিমউদ্দিনের ছেলে জামামল উদ্দিন,হাফিজ উদ্দিনের নেতৃত্বে মোঃ করিম উদ্দিন,মোঃ গিয়ানউদ্দিনসহ ৬ থেকে ১০ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত শিক্ষক মোঃ সবুজ শেখের পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। তাঁকে এলোপাতাড়ি পেটাতে শুরু করে। তিনি বলেন আমার বোন সাথী আক্তার দৌড়ে ঘরে ঢুকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা সেখান থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে আনে। এতে বাধা দিলে আমাকে আমার ছোট বোন তানিয়া আক্তার ও ভাগ্নে তামি ইসরামকে মারধর করে । তাদের মারধরে ভাগ্নে তামিম ইসলামের ডান পায়ের বৃদ্ধ আঙ্গুল ভেঙে গেছে।
এ সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯তে ফোন করলে সিরাজদিখান থানা পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। গুরুতর আহত অবস্থায় চারজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে কথা বলতে জামামল উদ্দিন,হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোঃ হাবিবুর রহমান জানান লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্তকরে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

