সৎ ও নির্ভীক কর্মকর্তা মোঃ আবুল হাছানাত হুমায়ূন কবীর: দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক নির্ভীক প্রশাসক

রাসেল কবির:
বর্তমান প্রশাসনে যখন নৈতিকতা ও আদর্শবোধের অভাব নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে আসে, তখনও কিছু কর্মকর্তা আছেন, যারা সততা, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁদের মধ্যেই একজন হচ্ছেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবুল হাছানাত হুমায়ূন কবীর।
দীর্ঘ সরকারি চাকরি জীবনে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সৎ, দক্ষ ও নীতিনিষ্ঠ প্রশাসক হিসেবে। দায়িত্ব পালনে তিনি সর্বদা ছিলেন আপসহীন— বিশেষ করে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে। প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের খাদ্য ব্যবস্থাপনা, গুদাম সংস্কার, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ নানা সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে তিনি ইতিমধ্যেই সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, তার সততা ও আপসহীন অবস্থানের কারণে কিছু অসাধু চক্র ও স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। সরকার ও জনগণের সম্পদের স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেওয়ায় এ ধরনের চক্র তার ন্যায়নিষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিতে চেষ্টা করছে।
তবে এসব অপপ্রচারে তিনি বিচলিত নন। বরং তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন— “সততার পথে চললে সাময়িক বাধা আসবেই, কিন্তু সত্য শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়।”
খাদ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, এমনকি সাধারণ নাগরিকদেরও অনেকেই বলেন, “দেশে যদি আবুল হাছানাত হুমায়ূন কবীরের মতো সৎ ও আদর্শ কর্মকর্তা প্রতিটি দপ্তরে থাকতেন, তবে দুর্নীতি অনেকটাই নির্মূল হতো।”
দেশ গঠনে একজন সরকারি কর্মকর্তার ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ—তার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন সেই প্রমাণ বহন করে। দায়িত্ববোধ, দেশপ্রেম ও সততার মেলবন্ধনে তিনি হয়ে উঠেছেন নতুন প্রজন্মের সরকারি কর্মকর্তাদের অনুকরণীয় উদাহরণ।

