ওয়ারী থানার মাদক মামলার দুই পলাতক আসামি প্রকাশ্যে, পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না

প্রকাশিত: 9:37 am, September 10, 2026 | আপডেট: 9:37 am,

{“remix_data”:[],”remix_entry_point”:”challenges”,”source_tags”:[],”origin”:”unknown”,”total_draw_time”:0,”total_draw_actions”:0,”layers_used”:0,”brushes_used”:0,”photos_added”:0,”total_editor_actions”:{},”tools_used”:{“square_fit”:1},”is_sticker”:false,”edited_since_last_sticker_save”:true,”containsFTESticker”:false}
ওয়ারী থানার মাদক মামলার দুই পলাতক আসামি প্রকাশ্যে, পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না

সাংবাদিক মোঃ বাদল : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানায় দায়ের করা মাদক মামলার দুই পলাতক আসামি যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার এজাহারে তাদের নাম-ঠিকানা উল্লেখ থাকার পরও গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুন সকাল আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে ওয়ারী থানাধীন টিকাটুলি মোড় এলাকায় চেকপোস্টে একটি সিএনজি থামানোর চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় গাড়িতে থাকা তিন যাত্রীর মধ্যে দুজন দৌড়ে পালিয়ে যান। পুলিশ মো. আরাফাত (২০) নামে একজনকে আটক করে।

 

পরে তার দেহ তল্লাশি করে ২২০ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধারের দাবি করে পুলিশ। এজাহারে উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক ওজন ৫৫ গ্রাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরাফাতকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে এবং পালিয়ে যাওয়া দুজনকে পলাতক আসামি হিসেবে উল্লেখ করে ওয়ারী থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ৮(ক)/৪১ ধারায় মামলা করা হয়।

 

এজাহারে পলাতক আসামি হিসেবে সৌরভ (২৬), পিতা মো. জহির, সাং মীরহাজীরবাগ, নবীনগর, চন্দনকোটা, থানা-যাত্রাবাড়ী এবং আশিক (২০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তারা পরস্পর যোগসাজশে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে হেরোইন নিজেদের হেফাজতে নিয়ে মীরহাজীরবাগের দিকে যাচ্ছিলেন।

 

মামলার নথিতে আসামিদের পরিচয় ও ঠিকানা থাকার পরও তাদের একজনের নিজ থানা এলাকায় অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ অবগত নয়—নাকি অবগত হয়েও গ্রেপ্তার করতে পারেনি—এ প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। বিশেষ করে মামলার পর পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে ওয়ারী থানা পুলিশ কী ধরনের অভিযান চালিয়েছে, যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে কোনো তথ্য দেওয়া হয়েছে কি না এবং অভিযানের কোনো নথিভুক্ত ফলাফল রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

 

এজাহারে অবশ্য বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে নিয়ে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আরও মাদক উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। তবে ওই অভিযানে পলাতক দুই আসামির কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য মামলার এজাহারে নেই।

 

স্থানীয়দের দাবি, মামলার পলাতক আসামিদের একজনের ঠিকানা যাত্রাবাড়ী এলাকায় হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তারে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সমন্বিত তৎপরতা থাকার কথা। কিন্তু তারা যদি ওই এলাকায় নিয়মিত চলাফেরা করেও থাকেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

 

তবে পলাতক আসামিদের সঙ্গে পুলিশের কোনো সদস্যের যোগসাজশ, আশ্রয় বা সহযোগিতার অভিযোগের পক্ষে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের বক্তব্য ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে তাদের নেওয়া পদক্ষেপই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

 

এ বিষয়ে ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।



একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *