রাইদা বাসের দৌরাত্ম্য কমতেই জুরাইনে নতুন বিতর্ক, আলোচনায় রাজনৈতিক কৃতিত্ব

প্রকাশিত: 9:04 am, November 2, 2026 | আপডেট: 9:04 am,

রাইদা বাসের দৌরাত্ম্য কমতেই জুরাইনে নতুন বিতর্ক, আলোচনায় রাজনৈতিক কৃতিত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জুরাইনের সড়কে রাইদা পরিবহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা না করিয়ে নির্ধারিত স্টপেজ ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বাসগুলোর মধ্যে। এতে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে স্থানীয়দের মধ্যে। তবে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক কৃতিত্বের হিসাব-নিকাশ।

এই পরিবর্তনের পেছনে নিজের ভূমিকার বিষয়টি সামনে এনেছেন বিএনপি নেতা তানভীর আহমেদ রবিন। গত ২৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জুরাইনের রাইদা বাসের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের পর স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে তাঁর পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

তবে একই ঘটনায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদিন। গত ১ নভেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তাঁকে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় রাইদা পরিবহনের চলাচল ও জনদুর্ভোগ নিয়ে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।

ভিডিওতে যানজট নিরসন এবং বাস চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরার পাশাপাশি সম্পাদিত ভিডিওর লেখায় অন্যদের কৃতিত্ব দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিশেষ করে, ‘আসল কাজ কার প্রমাণ দেখুন’—এমন বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি রাজনৈতিক বিতর্কের নতুন মাত্রা পেয়েছে।

একদিকে রবিনের ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদ, অন্যদিকে সংসদ সদস্যের সভায় দেওয়া বক্তব্য ও ভিডিও—দুই পক্ষের কর্মকাণ্ড সামনে আসায় জুরাইনের রাইদা বাস ইস্যু এখন স্থানীয় রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

তবে রাজনৈতিক কৃতিত্বের এই বিতর্কের বাইরে সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সড়কে শৃঙ্খলা বজায় থাকা। বাসগুলো নির্ধারিত স্টপেজ মেনে চলবে কি না, যানজট ও যাত্রীদের ভোগান্তি স্থায়ীভাবে কমবে কি না—সেটিই এখন জুরাইনবাসীর মূল প্রত্যাশা।

তবে জুরাইনে বিশৃঙ্খল রাইদা পরিবহনকে শৃঙ্খলায় আনতে কৃতিত্ব বা ক্রেডিট যেই নেক না কেন দুইজনের উদ্দেশ্যই জুরাইনের যানজট নিরসন করে জনগণকে রাইদা পরিবহনের নৈরাজ্য থেকে মুক্তি দেয়া।



একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *